Center Information
Mohammad Jashemdul Alam
"শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড" - এই চিরায়ত সত্যকে ধারণ করে বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৩২ সাল থেকে এই জনপদে শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছে।
বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট উন্মোচন উপলক্ষে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই প্ল্যাটফর্মটি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষালয় নয়, এটি একটি ঐতিহ্য, একটি পরিবার। গুণগত ও আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
আমাদের প্রত্যাশা: প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের নিবেদিত করতে পারে।
আমার আহ্বান: শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যের প্রতি আমার আন্তরিক অনুরোধ, আসুন আমরা সকলে মিলে এই প্রতিষ্ঠানকে আরও উন্নত ও আদর্শ করে তুলি।
আমি প্রতিষ্ঠানটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি এবং সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
বিনীত
মোহাম্মদ জামশেদুল আলম
সভাপতি,
বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ
Ratan Chakraborty
শিক্ষা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এর মূল লক্ষ্য হলো জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে একটি দায়িত্বশীল প্রজন্ম তৈরি করা।
বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে আমি অত্যন্ত গর্বিত যে, দীর্ঘ ৯৩ বছর ধরে (প্রতিষ্ঠা: ১৯৩২ সাল) আমাদের বিদ্যালয়টি এই জনপদের শিক্ষায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।
আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্র্ভর এই যুগে আমাদের বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট চালু হওয়া একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম, ফলাফল, নোটিশ এবং ইতিহাস সবার কাছে সহজে পৌঁছে দেবে।
আমাদের বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিচালনা পর্ষদ এবং অভিভাবকবৃন্দ শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো:
মানসম্মত শিক্ষা: শিক্ষার্থীদের প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করা।
প্রযুক্তি ও দক্ষতা: তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বমানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করা।
সহশিক্ষা কার্যক্রম: খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা এবং বিতর্কের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানো।
আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় আগামীতেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে। শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
ধন্যবাদান্তে,
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
(রতন চক্রবর্ত্তী)
বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।
Welcome To Our Institute
১৯৩০ এর দশকে বাঁশখালী ছিল এক অনুন্নত জনপদ, বিদেশী ও উপনিবেশিক ইংরেজ শাসনের অধীনে বলতে গেলে শিক্ষা ও জনকল্যাণ মুখী কোন অবকাঠামোই ছিল না এই বাঁশখালীতে। বাঁশখালী সীমারেখার উত্তরে শংখ নদী, দক্ষিণে বর্তমানের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলা, পূর্ব দিকে বাঁশখালীর পাহাড় শ্রেনী ও পশ্চিমে সমান্তরালভাবে বিশাল বঙ্গোপসাগর। তখনকার দিনে এই বাঁশখালী উপজেলা ছিল বলতে গেলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন একটি জনপদ। যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল একমাত্র নৌকা-সাম্পান। বাঁশখালীর উত্তর-দক্ষিণ বিস্তৃত জলকদল খাল দিয়ে উত্তর দিকে শংখ নদী বেয়ে ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হয়ে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে নৌকা-সাম্পানে বিপদ মাথায় চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াত করতে হত। এলাকার অভ্যন্তরে একমাত্র পদব্রজেই চলতে হত। বর্ষার সময় চলাচল ও যোগাযোগ ছিল দুরতিক্রম্য।
এহেন প্রাকৃতিক অবস্থান ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রেক্ষাপটেই বাঁশখালীর অন্যতম ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব, প্রখ্যাত জমিদার মরহুম শেখ ওয়াজেদ আলী চৌধুরী শিক্ষা বিস্তারে অবহেলিত দেশবাসীকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার ইচ্ছা পোষণ করেন। আর সেই মহান লক্ষ্য পূরণে এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। নানা প্রতিকূলতা, অবিশ্বাস্য কষ্ট ও শ্রমের মাধ্যমে তিনি এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর এ কঠিন কাজে তাঁকে সাহায্য করেন কালীপুর নিবাসী তার খালু মনীষী, দার্শনিক ও পীর জনাব শাহ্ মোহাম্মদ বদিউল আলম, তাঁর জামাতা এডভোকেট জনাব সিরাজুল হক চৌধুরী, চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা তাঁর অন্যতম আপনজন চাম্বল নিবাসী জনাব হামিদ আলী চৌধুরীসহ আরো কয়েকজন। বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ‘‘বাঁশখালী উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়’’ (BANSKHALI HIGH ENGLISH SCHOOL) নামেই প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম ১৯৩৬ সালে তৎকালীন "কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়"-এর অধীনে প্রথম ব্যাচ প্রবেশিকা পরীক্ষা দেয়।.
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহঃ | শুক্র | শনি |
|---|

